ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ইচ্ছে করে সবচেয়ে খারাপ পোশাক পরে অফিসে আসে তারা

ইচ্ছে করে সবচেয়ে খারাপ পোশাক পরে অফিসে আসে তারা

‘তাং পিং’ বা ‘লাইং ফ্ল্যাট' প্রতিবাদের পরে, এবার চীনের তরুণেরা ‘গ্রস আউটফিট মুভমেন্ট’ শুরু করেছে। চীনে নতুন ধরনের 'গেট রেডি উইথ মি' ভিডিও তৈরির ট্রেন্ড চলছে। এটি মূলত কে কত 'জঘন্য' পোশাক পড়ে কাজে যেতে পারে তার চ্যালেঞ্জ নেওয়া।

 

সম্প্রতি চীনের তরুণেরা কর্মক্ষেত্রে খারাপ বস, নেতিবাচক কর্মপরিবেশ, কম বেতন এবং দীর্ঘ কর্মঘণ্টা প্রভৃতির বিরুদ্ধে এক ব্যতিক্রম বিদ্রোহ শুরু করেছে।

 

তারা নিজেদের সবচেয়ে খারাপ পোশাক, পায়জামা, জুতা পরে অফিসে যাচ্ছে এবং আনন্দের সঙ্গে নিজেদের এসব উদ্ভট ছবি অনলাইনে পোস্ট করছেন।

 

 

কয়েক মাস ধরে চীনা সামাজিক মাধ্যম ডোয়িন (টিকটকের চীনা সংস্করণ) ব্যবহারকারীরা #গ্রসআউটফিটফরওয়ার্ক, #আগলিক্লোথসশুডবিফরওয়ার্ক এর মতো বিভিন্ন পোস্ট দিচ্ছে।

 

এই প্রতিবাদকারীরা অন্যদেরও এই ট্রেন্ডে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, কে সবচেয়ে 'খারাপ' পোশাক পরতে পারে আমরা তার প্রতিযোগিতা শুরু করছি।

 

'গ্রসআউটফিটফরওয়ার্ক'- হ্যাশট্যাগটি কেবল চীনা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ওয়েইবোতে ১৪০ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ পেয়েছে এবং এতে দশ হাজারের বেশি মন্তব্য পড়েছে।

 

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ডোয়িন ব্যবহারকারী কেন্ডো এস এর একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছিল।

 

সেই পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, তার বস তার পোশাককে 'জঘন্য' বলেছে এবং এই পোশাক পরার জন্য তাকে শাস্তি দিয়েছেন।

 

ওই নারী বলেন, ঠান্ডা আবহাওয়া থেকে বাঁচতে তিনি ওই জবরজং পোশাক পরেছিলেন।

 

পরে একটি ভিডিওতে কেন্ডো নেটিজেনদের তার সেই সমালোচিত পোশাক দেখিয়েছেন। তার ওই ভিডিওতে ৭ লাখ ৫২ হাজারের বেশি লাইক পড়েছে এবং ১.৪ মিলিয়নেরও বেশি বার রিপোস্ট করা হয়েছে।

 

এই পোস্টের মতোই আরেক নারী তার নিয়ন হলুদ ভেস্ট এবং হাঁটু সমান ব্যাগি শর্টস পরা ছবি পোস্ট করেছেন। এর সঙ্গে তিনি লিখেছেন, 'আমার সহকর্মী বলেছেন আমি নাকি বনমানুষের মতো পোশাক পরি।'

 

আরেকজন কমেন্ট সেকশনে একটি নোংরা হলুদ এবং নীল জ্যাকেট পরা ছবি দিয়ে লিখেছেন, 'আমার বস আমাকে আমার কাপড় ধোয়ার জন্য ৫০ ইউয়ান (প্রায় ৭ ডলার) দিয়েছিলেন এবং আমাকে আর কখনও ক্লায়েন্টদের সঙ্গে হাত মেলাতে নিষেধ করেছেন।'